বিস্তারিত

  • হোম
  • |
  •  বিজ্ঞানীরা আমাদের ছায়াপথের বাইরে প্রথম কোনো গ্রহের চিহ্ন পেলেন।
thumb
 বিজ্ঞানীরা আমাদের ছায়াপথের বাইরে প্রথম কোনো গ্রহের চিহ্ন পেলেন।
  • 10/28/2021 12:22:29 AM
  • মো: মোস্তাফিজার রহমান
  • 0 - Comments

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা দূর মহাকাশে সম্ভাব্য গ্রহ শনাক্ত করেছেন। আমাদের ছায়াপথ মিল্কিওয়ে বাইরে সেটি ধরা পড়ে একটি নক্ষত্রকে অতিক্রমের সময় । যদি 
 বিজ্ঞানীদের ধারণা সত্যি হয়, তাহলে আমাদের ছায়াপথ মিল্কিওয়ের  বাইরে কোনো গ্রহের খোঁজ পাওয়া গেল এই প্রথম ।

হোয়ার্লপুল নামক ছায়াপথে সম্ভাব্য গ্রহটির অবস্থান। সেটিকে  শনাক্ত করা হয় মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার চন্দ্র এক্স-রে অবজারভেটরিতে।

সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌরজগতের বাইরের সকল গ্রহগুলোকে বলা হয় বহিঃসৌরজাগতিক গ্রহ বা এক্সোপ্ল্যানেট । সেগুলো সূর্য  ছাড়া সচরাচর অন্য কোনো নক্ষত্রকে  ঘিরে আবর্তিত হয়। এ পর্যন্ত যে সব বহিঃসৌরজাগতিক গ্রহের  খোঁজ মিলেছে আমাদের ছায়াপথে,  পৃথিবী থেকে প্রায় ৩ হাজার আলোকবর্ষের মধ্যে তাদের বেশির ভাগের অবস্থান।

কিন্তু হোয়ার্লপুল ছায়াপথের সম্ভাব্য বহিঃসৌরজাগতিক গ্রহটি পৃথিবী থেকে প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থি। মিল্কিওয়ের বহিঃসৌরজাগতিক গ্রহের তুলনায়  শনাক্ত  কৃত গ্রহের  দূরত্ব হাজারো গুণ বেশি।

যখন দুটি নক্ষত্র  তাদের সাধারণ ভরকেন্দ্র প্রদক্ষিণ করে  তখন তাদেরকে বাইনারি নক্ষত্র বলা হয় , আর যে সকল বাইনারি নক্ষত্র থেকে  রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রে  নির্গত হয় তখন সেগুলোকে এক্স-রে বাইনারি বলা হয় । এই এক্স-রে বাইনারিতে সাধারণত একটি কৃষ্ণগহ্বর কিংবা  নিউট্রন নক্ষত্র  থাকে। এক্স-রে বাইনারি থেকে নির্গত রশ্মির তারতম্যে  গবেষক দলটি চোখ রাখেন।

মহাকাশের যে অংশটি  থেকে উজ্জ্বল এক্স-রে  বা রঞ্জন রশ্মি আসে, সেটি অনেকটা  ছোট। তার আলোর প্রায় সবটুকুই ঢেকে যায়  সেটির সামনে দিয়ে কোনো গ্রহ পেরিয়ে গেলে । তাই অনেক দূরের এক্সোপ্ল্যানেটও শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা তবে আসলেই নতুন  গ্রহ শনাক্ত করেছেন কি না,সে বিষয়ে খুব  শিগগিরই নিশ্চিত তথ্য পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কক্ষপথ অনেক বড় হওয়ায় কারণে আগামী প্রায় ৭০ বছরে গ্রহটি  বাইনারি সঙ্গীর সামনে আসবে না। তাই নিশ্চিত নিশ্চিত তথ্য পাওয়ার জন্য দশকের পর দশক অপেক্ষা করতে হবে ।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা অন্যান্য ছায়াপথে সম্ভাব্য এক্সোপ্ল্যানেটের খোঁজে এবার  ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির এক্সএমএম-নিউটন উপ গ্রহ  এবং  নাসার চন্দ্র এজেন্সির থেকে প্রাপ্ত পুরোনো তথ্য পর্যালোচনা করে দেখবেন ।

উক্ত গবেষণা পত্রটি নেচার অ্যাস্ট্রোনমি জার্নালে প্রকাশ করা হয়েছে।

আপনার মন্তব্যঃ

একই ধরনের সংবাদ

আপনার জন্য