দেশের বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে বর্তমানে চালু থাকা লটারি পদ্ধতি বাতিল করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সরকার। আগামী বছর থেকে শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
সোমবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ভর্তির ক্ষেত্রে লটারির প্রচলিত পদ্ধতি আর রাখা হবে না। পরিবর্তে সহজ ধরনের পরীক্ষা নেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হতে পারে।
মন্ত্রী আরও বলেন, কোনোভাবেই প্রতিযোগিতামূলক চাপ তৈরি করা হবে না। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গবেষণা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্তের দিকে এগোনো হয়েছে। ভবিষ্যতেও অংশীজনদের মতামত নিয়ে ভর্তি পদ্ধতি চূড়ান্ত করা হবে।
তিনি জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতিকে অনেকেই ভাগ্যের ওপর নির্ভরশীল ব্যবস্থা হিসেবে দেখেন। তাই শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে এমন পদ্ধতি মানানসই নয় বলেও মত দেন তিনি।
একই সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, যদি ভর্তি পরীক্ষা চালুর পর কোনো প্রতিষ্ঠান এটিকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত কোচিং বাণিজ্য শুরু করার চেষ্টা করে, তাহলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। প্রয়োজনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরেই সহায়ক ক্লাস বা কোচিংয়ের ব্যবস্থা করা হতে পারে।
এদিকে একই অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান এবং কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্যের নামও ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

