প্রাথমিক স্তরে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাব সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের, যা এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবেচনায় রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, প্রস্তাব অনুযায়ী সংগীত শিক্ষক বাছাইয়ের দায়িত্ব থাকবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ওপর। আর তাদের বেতন-ভাতা প্রদান করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৮ আগস্ট ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ জারি করা হয়। সেখানে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছিল।
তবে পরবর্তীতে ধর্মভিত্তিক বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা সংগীত শিক্ষকের পরিবর্তে ধর্ম শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানান। তারা বিভিন্ন সভা-সমাবেশে এ বিষয়ে বক্তব্য দেন এবং সংগীত শিক্ষক নিয়োগ বাতিল না হলে আন্দোলনেরও হুমকি দেন।
প্রাথমিক বিধিমালায় প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক (সংগীত) ও সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা)—এই চার ধরনের পদের কথা বলা হয়েছিল। পরে সংশোধিত বিধিমালায় শুধু প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদ রাখা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় গত নভেম্বরে প্রকাশিত আরেকটি গেজেটে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ বাদ দেওয়া হয়।
সব মিলিয়ে, সংগীত শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।




